Spread the love


আমার বঙ্গে বাংলাই বয়..

নোয়ার নৌকায় বাংলা ভাষা থাকুক যতনে, সর্বোপরি মাতৃভাষাকে বাঁচানোর প্রচেষ্টা সরস্বতী ভাণ্ডারের …
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প করে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহু মানুষের নিরন্তর পাশে থাকছেন তবে লক্ষ্মীর সাথে সাথে সরস্বতীর প্রয়োজন আমাদের কন্ঠে, মননে, মস্তিষ্কে। সেই জন্যই এক ভোটের মরশুমে সরস্বতী ভাণ্ডারের পথচলা শুরু হয়েছিল এবং এর কান্ডারী ঝর্ণা ভট্টাচার্য্য -এর মতে “দিন দিন ভাষা সন্ত্রাস বাড়ছে তার থেকে বাড়ছে মনের রক্তক্ষরণ, ঔদ্ধত্য, অবজ্ঞা। আর আমরা চাইনা এই যুগ ভাষা সন্ত্রাসের যুগ হয়ে ইতিহাসে থেকে যাক। তাই পরিবার থেকে রাজনীতি থেকে প্রশাসন, সমাজের প্রত্যেকটি মানুষকে সচেতন হতে হবে, সচেতন হতে হবে সংবাদ মাধ্যমকেও হয়ত বা”।

সেই লক্ষ্যে অটুট থেকে ২৮ শে ডিসেম্বর বছর শেষের ঠিক আগে সারা বছরের সব গ্লানি কলুষতা কু কথা, কু শব্দকে ভুলে গিয়ে সুশৃঙ্খল, মানবিকতায় পরিপূর্ণ নতুন বছর দেখার আশায় সরস্বতী ভাণ্ডার একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল এমপি বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম সভাঘরে। ভাষার প্রভাব শরীর, মনে, পরিবারে, সমাজে, রাজনীতিতে, আগামী প্রজন্মের ওপর কি কি প্রভাব কিভাবে ফেলে মূল আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল সেটাই। সর্বোপরি এই শব্দদাবানলে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য,পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং এক জটিল রাজনৈতিক চাটুকারিতা আমাদের ঠিক কোথায় নিয়ে যেতে পারে সেসব কথাই উঠে এলো এই আলোচনা সভার বিদ্বজ্জনের মতামতের মাধ্যমে।আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন ড.ঋতব্রত ভট্টাচার্য, আইনজীবী সৌরভ সাহা চৌধুরী, রাজনীতি ব্যক্তিত্ব প্রীতম দত্ত, কবি ও সাংবাদিক সৈয়দ হাসমত জালাল, নিধি এসোসিয়েটস এর কর্ণধার আবিরলাল বিশ্বাস, শ্যামল বিশ্বাস, রেড চেক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড ভুবনেশ্বর এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা মণীশ খান (সহযোগিতা করেছেন বাংলা কে ভালবেসে, সর্বোপরি ভাষাসন্ত্রাস দূরীকরণের জন্য) সহ আরো অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

Author

Leave a Reply