অ-বলা
” The Unexpressed silent cries of animals“
ওদের জন্য আমরা বলব কারণ ওরা বলতে পারে না, তা বলে কি ওদের শারীরিক বা মনের কষ্ট ,ওদের অবসাদ আমরা একটু মানবিক হয়ে বুঝব না? সরস্বতী ভাণ্ডার এই বিষয়টি নিয়ে আগেও কাজ করেছে যেমন বইমেলায় পোষ্য চিকুকে দিয়ে অনেক বাধা সত্ত্বেও বই প্রকাশ করানো, বেলগাছিয়া পশু হাসপাতালের ভেতরে “Pet friendly fair”হোক কিংবা পথের পশুপাখিদের জন্য ভাইফোঁটা, ষষ্ঠী করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর কাজ করা। এবার একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল সরস্বতী ভাণ্ডার অবনীন্দ্র সভাঘরে ২ রা ফেব্রুয়ারি। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন যাঁরা পথের পশু পাখিদের নিয়ে নিরলস কাজ করছেন এবং অবলা প্রাণীদের ওপর অবিচার হলে যাঁরা রুখে দাঁড়ান তাঁরা,তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক ,সাংবাদিক সৈয়দ হাসমত জালাল ,শুভায়ু ব্যানার্জি, মহুয়া দত্ত, শ্রী রতন ঝাওয়ার মহাশয় -এর মত ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সরস্বতী ভাণ্ডারের কর্ণধার ঝর্ণা ভট্টাচার্য্য এবং তাঁর কথায় “সরস্বতী ভাণ্ডার ভাষা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যেখানেই মনের রক্ত ক্ষরণ হয় সেখানেই শব্দের মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছে আগামী দিনেও করবে, তা সে সবলা হোক কিংবা অবলা। মানুষ হয়ে একটু মানবিক হই না ক্ষতি কি? বইমেলায় যে এত ভিড় ,এত ছবি মানুষের সোশ্যাল মিডিয়াতে ( হয়ত তার পোষ্যটি তখন একা ঘরে ভয়ে কাদছে কারণ ওই মেলায় তার প্রবেশ নিষেধ, কিম্বা পথের কোন সারমেয় শব্দ অথবা বায়ু দূষণের শিকার হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে),এত বড় উৎসব, বইমেলা কর্তৃপক্ষের এত বড় আয়োজন শুধুমাত্র বইকে অর্থাৎ শিক্ষা বা বিদ্যাকে কেন্দ্র করেই তো ! এই কর্মযজ্ঞ -এর প্রতিফলন সমাজের সবদিকগুলোকে আলোকিত করলে তবেই হয়ত এই ধরনের মেলা সার্থক হবে, বিদ্যার প্রভাব বিস্তার হবে , মনের সংকীর্ণতা কমবে । “
